ভালোবাসা প্রকাশ করাটাই প্রেমের সঠিক পন্থা। অনেকে ভালবাসা প্রকাশ করতে লজ্জা পায়, ইতস্তবোদ করে, কিন্তু ভালবাসা প্রকাশ করলে যে এক পাহাড় সমান সুখ নেমে সেটা কেউ বুঝতে চায়না! ভালোবাসা প্রকাশেই সুন্দর। বিশেষ করে নারীর ভালবাসা প্রকাশেই সুন্দর। আবার নারীতত্ত্বকে প্রশংসার মধ্যে ডুবে রাখার মধ্যে লুকায়িত থাকে সেই ভালবাসার সৌন্দর্য্য। নারী প্রশংসা ভিক্ষারী। নারী চায় তার স্বামী তার প্রশংসা করুক। সত্য হলেও এটাই যে- নারীকে সত্য কথা বলে কাদানোর থেকে মিথ্যা কথা বলে খুশি করালে, তারা আনন্দিত বেশি হয়। আজকের ব্লগপোস্ট- ❝ নারীর মনজগৎ -নারীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশেই সুন্দর❞ এই ব্লগ থেকে জানতে পারবেন- নারী তার স্বামীর থেকে কেমন ভালবাসা কামনা করে? নারী স্বামীর কাছ থেকে কি ধরণের প্রশংসার আশা রাখে? নারী এই গোপন মনস্তাত্ত্বিক ইচ্ছাগুলো ফাঁস করা হবে আজকের হিউম্যান ফিলো ব্লগের ব্লগপোস্টে।
নারী বা আপনার কোমলবতী, মমতাময়ী স্ত্রীর মনের গোপন কথাগুলো জানতে এই ব্লগটি মনযোগ সহকারে পড়ুন! এই ব্লগটি আপনার একান্তই পড়া দরকার। আপনি যদি বিবাহিত হন। বা আপনার দাম্পত্য জীবনে মানসিকভাবে সুখী না হন। তাহলে এমনও হতে পারে আপনার দাম্পত্য জীবনে আবেগের অভাব আছে। আবেগের অভাব মানে বলতেছি- ইমোশনাল ভালবাসার অভাব রয়েছে। রয়েছে পারস্পরিক বোঝাবুঝির ব্যাপক ঘাটতি। আপনি স্ত্রীর থেকে কি চাচ্ছেন, এটা আপনার স্ত্রী বুঝেনা, বা আপনার সেই স্ত্রীটি আপনার কাছে থেকে কি আশা করে, কি চায় আপনি হয়ত বুঝতে চান না। যাইকে আজকে আমরা শুধু একটি পক্ষ নিয়ে কথা বলবো সেটি হচ্ছে- কিভাবে নারী (স্ত্রীকে) খুশি রাখবেন। কি করলে নারী খুশি হয় এবং নিজেকে একজন পরিপূর্ণ সুখী মানুষ ভাবে? আপনার কৌতুহলী মন যদি উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকে, তাহলে এই- নারীর প্রতি ভালোবাসা, প্রকাশেই সুন্দর। ভালোবাসা প্রকাশ করাটাই প্রেমের সঠিক পন্থা ব্লগটি অত্যন্ত মনযোগ সহকারে পড়ুন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক- আপনার স্ত্রী আপনার থেকে কি আশা রাখে? কেন ভালোবাসা প্রকাশেই সুন্দর? কেন ভালোবাসা প্রকাশ করাটাই প্রেমের সঠিক পন্থা?

সূচিপত্রঃ নারীর মনোজগত - নারীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশেই সুন্দর!
নারীর কাছে ভালোবাসা প্রকাশ করাটাই প্রেমের সঠিক পন্থা
নারী (স্ত্রীর) কাছে ভালোবাসা প্রকাশ করুণ। ভালোবাসা প্রকাশ করাটাই প্রেমের সঠিক পন্থা। আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করতে কার্পণ্য করবেন না। ভালোবাসা মানুষের নিরাপত্তাবোধকে বাড়ায়, আপনার সঙ্গীনির জড়তাকে প্রশমিত করে। তখন স্ত্রী নিজেকে উন্মোচিত করতে পারে আনন্দের সাথে। যে ভালোবাসে তার সামনে ভুল করতেও ভয় পাই না। আর যারা আমাদের ভালোবাসে না তাদের সামনে সঠিক কাজটি করতে গেলেও কেমন গুলিয়ে যায়। তাই আপনার স্ত্রীর কাছ থেকে ভাল যৌনসাড়া পেতে চাইলে তার কাছে আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করুণ।
স্ত্রীর থেকে শয্যালগ্ন সময়ে আনন্দময় মুহূর্ত পেতে কি করতে হয়? | রহস্যময় তত্ত্ব
বিশেষতঃ
আমাদের দেশের মেয়েদের কাছ থেকে উদার যৌন ক্রিয়া আশা করলে তার কাছে আপনার গভীর ভালোবাসা করতেই হবেই। কারণ আমাদের দেশে মেয়েদেরকে যৌন অবদমন ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয়। তাই ভালোবাসার উর্বরা মাটি না পেলে সেই অবদমন থেকে তার যৌনতার বীজটি অংকুরিত হতে পারে না। তাই নারীর থেকে সুন্দর যৌনতা আশা করলে তাকে আগে ভালবাসতে হবে। স্ত্রীর কাছ থেকে ভাল যৌনসাড়া পেতে চাইলে তার কাছে আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করুণ।
নারীকে ইমপ্রেস করার একটি ম্যাজিক | নারীর ভালোবাসা পেতে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলুন | স্বামীর ভালোবাসা স্ত্রী কখন অনূভব করে?
নারী, পুরুষের কথা শোনার জন্য অনেক বেশি পাগল প্রায়। যেটা বলে বোঝানো যাবেনা বা লেখে শেষ করার মতো না। বোঝাতে গেলে তথ্যগত ভাষা আমি বের করতে ব্যার্থ হবে। কারন মানুষের মনের রহস্য ব্যাপক। সেখানে নারীর মনের রহস্য হলে তো কথাই নেই। প্রতিটি নারী বা স্ত্রী স্বামীর কাছে কামনা করে---
তার স্বামী এমন কিছু ম্যাজিকময় কথা বলুক। যা শুনে সে নিজেই ভালবাসার সাগরে ডুবে থাকতে পারে। কিন্তু নির্মম দুঃখজনক ঘটনা এটাই ঘটে থাকে যে- নারীর মনের খবর সম্পর্কে অধিকাংশ পুরুষ বেখবর। পুরুষ বেঝেনা তার স্ত্রীর মনের কথা, এজন্য লক্ষ করলে দেখা সমাজে কত বেহাপনা কত ব্যাভিচার।
যাইকে এই টপিক নিয়ে পরবর্তী হেডিং (পরকীয়ার রহস্য কি? কেন এত সংসারে অশান্তি?) এ বলবো। নারীকে ইমপ্রেস করার একটি ম্যাজিক। স্ত্রীকে ইমপ্রেস করার একটি ম্যাজিক হলে তাকে রসময় কথা বলুন। আপনার কথায় যেন যেন- মৌচাকের মধু গলে গলে চুয়ে পড়ে যায়। স্ত্রীকে বলুন---
❝আমার দেহটা কর্মস্থলে থাকলেও মনটা তোমার হৃদয়ের আঙ্গিনায় পড়ে থাকে।❞
❝আমি স্ত্রী থেকে শীতে উষ্ণতা গ্রহণ করি আর গ্রীষ্মে শীতলতা গ্রহণ করি!❞
❝ বউ, তুমি আমার শরীরের পোশাকের মত। আমার কাছাকাছি লেপ্টে থাকলে আমার ভালো লাগে। আর না থাকলে কেমন যেন শূন্য শূণ্য লাগে। আমার ঘরে থাকলে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। আর ঘরে না থাকলে ঘরটা কেমন জানি ঘুটঘুটে অন্ধকার লাগে। প্রিয়তমা তুমি আমার আন্ধার ঘরের জোছনার বাত্তি। তুমি আমার ঘরের লক্ষী। তুমি ছাড়া আমি ছন্নবেশি।❞
❝প্রিয়তমা, তোমাকে হাসি মুখে রাখব প্রতিমূহুর্তে ভালোবাসার মুগ্ধতায়- তোমাকে সারাজীবনের বাঁধনে বাঁধবো আমি, ভালোবাসার পূর্ণতায়❞
স্ত্রীকে এরকম কথা বলুন দেখবেন, মৌচাকের মধুর মত আপনার স্ত্রীর মন থেকে আপনার জন্য ভালবাসা উতলে উঠবে। :) স্বামীর ভালোবাসা স্ত্রী তখনই অনূভব করে যখন স্বামীর হৃদয়ের সাথে তার নিজের হৃদয়কে এক সুতোয় গাঁথতে পারে। আর নিজের হৃদয়কে স্ত্রীর হৃদয়ের সাথে গাঁথতে হবে তাকে সুন্দর সুন্দর কথা গিফটের মাধ্যমে। তাহলে নারী বা স্ত্রীর হৃদয়ের সাথে হৃদয় একসুতোয় বাধতে পারবেন।
ভালোবাসা প্রকাশে, নারীকে ভালবাসুন পরম যত্নে | নারীর সৌন্দর্যের প্রশংসা করুন
নারীকে ভালবাসতে যেমন লাভ-ল্যাঙ্গুয়েজ প্রয়োজন তেমনি নারীর মন যোগাতে নারীকে পরম যত্নে ভালবাসতে হবে, মন উজার করে ভালবাসা দিতে হবে। প্রতিটি ক্ষণে তাকে পরম যত্নে ভালবাসতে হবে।
নারীকে ভালোবাসতে চাইলে বা নারীর ভালোবাসা পেতে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতে হয়। এবং সেই সাথে নারীর প্রশংসা করতে হয়। কারণ নারীরা প্রশংসার পূজারি বা ভিক্ষারী বললেও ভুল হবেনা! নারীকে ভালবাসতে পুরুষের অন্যতম কাজ হচ্ছে- নারীর দেহ বা শরীরের সৌন্দর্য্যের প্রশংসা করা ও নারীর কাজের প্রশংসা করা। মোটকথা- নারীরা ভালোবাসা, সৌন্দর্য আর অনূভুতিকে পরম যত্নে আগলে রাখে। সুতরাং নারীকে পরম যত্নে বুকে আগলে রাখতে হবে, তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করতে হবে এবং তার অনুভূমির যথার্থ (কাঙ্খিত) মূল্য দিতে হবে।
নারীর অভিমানের রহস্য? স্ত্রীর রাগ-অভিমান ভাঙ্গাবেন কিভাবে?
সংসার জীবনে টুকটাক ঝামেলা লেগে থাকে এমন কোন সংসার নেই যেখানে যেখানে বড় হোক ছোট বা টুকটাক যেকোনো ধরনের ঝামেলা হয় না বললেই চলে। এটা কোন ভুলের বিষয় না, এটা সংসারিক একটা নিয়ম বা বলা যায় স্বাভাবিক একটা নিয়মও বলা। সংসার জীবনে টুকটাক সমস্যা বা ঝামেলা লেগে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। You can carely remember this line- its doesn't matter, just normal fact. সংসার জীবন মানেই ছোটখাটো ঝামেলা লেগে থাকবেই। অনেক সময় দেখা যায় ছোটখাটো সমস্যার কারণে স্বামী বা স্ত্রী দুজন রেগে থাকে। অভিমান করে থাকে। কিন্তু এই রেগে থাকে অভিমানের পিছনে কি লুকিয়ে থাকে? প্রথমে বুঝতে হবে। অভিমান কি? মানুষ অভিমান কেন করে? অভিমানের রহস্য কি?
বিশেষ করে নারীরা অল্পতেই রেগে যায়। ঘনঘন তারা অভিমান করে থাকে। কিন্তু কেন তারা এত ঘনঘন অভিমান করে থাকেন? এর পিছনে কাহিনী কি? তারা আসলে অভিমান করে কি পেতে চায়?
পৃথিবীর বুকে পুরুষ নারী এক বড় বড্ড অভিমানী প্রাণী। একজন নারী বা স্ত্রী চায় তার স্বামী তাকে অনেক বেশি ভালবাসুক। অনেক বেশি ভালোবাসুক। নারী অভিমান করতে ভালোবাসে। কারন নারী অভিমান করে তার স্বামীর কাছ থেকে কিছু পেতে চায়। সে চায় তার স্বামী তার পেছন এসে জড়িয়ে ধরে বলুক- ❝সরি আমার প্রিয়তমা বউ। আমি তোমাকে ভালবাসি।❞
নারীর রাগের সময় বা অভিমানের সময় মনে মনে কল্পনা করে বা মনে মনে ভাবে- তার স্বামী তার পাশে বসে তার হাত দুটো শক্ত করে চেপে ধরুক। সে কি করছে না করছে এসব খবর তার পাশে বসে তার পাশে শুয়ে ফিসফিস করে কথা বলুক এবং সে এই কথাটি বারবার শুনতে চায়- ❝ভালবাসি! আমি তোমাকে ভালোবাসি! তোমাকে ভালোবাসি! অনেক বেশি ভালোবাসি! পাগলের মতো ভালোবাসি ও আমার মায়ামতি অভিমানী বউ।❞
নারীর অভিমানের গোপন অভিযান | নারী অভিমানের গোপন রহস্য ফাঁস
নারী ভাবে তার স্বামী তার অভিমান ভাঙ্গিয়ে দিবে, অবাক প্রেমের গল্প করে স্নিগ্ধ রজনীকে মাতাল করে তুলবে। এই ভেবে অসংখ্য রজনী উল্লাসহীন ভাবেই পার হয়ে যায়, অভিমান ও রাগ করে। নারী যখন রাগ করে অভিমান করে; তখন মনে মনে ভাবে- আমার স্বামী কেন আমার কাছে আসছে না! কথা বলছে না কেন! আমার রাগ-অভিমান কেন ভাঙ্গাচ্ছে না!! কেন নিজে থেকে একটু এগিয়ে আসছে না, আমার অভিমান ভাঙানোর জন্য।
প্রিয় ভিজিটর, কিন্তু নারী (স্ত্রী) এই কথাগুলো সে মুখ ফুটে আপনাকে একেবারেই বলতে চায় না কিন্তু মনে মনে ফুপে থাকে। তাই প্রত্যেক পুরুষ বা স্বামীর উচিত নারী বা স্ত্রীর রাগ-অভিমান করার সময় একটু বেহায়া হয়ে স্ত্রীর রাগ ভাঙ্গানো। এতে করে একদিকে যেমন ভালোবাসা প্রকাশ পাবে তেমনি দম্পতিদের মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে সম্পর্ক হবে গাঢ়। নারী রাগ করলে বলুন---
❝প্রিয়তমা, এই দেখো ফুল এঁনেছি, খোঁপায় দেব বেঁধে, রাগ করে থেকো না আর, রান্না দেব রেধে। ভুলের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি, যদি ভালোবাসো—আমার দিকে চেয়ে তুমি, এবার তবে হাসো।❞
সংসারে অশান্তি কিংবা পরকীয়া রহস্য | ব্যভিচার থেকে বাঁচতে ভালোবাসাকে প্রকাশ করুন
স্ত্রীর হৃদয়ের ভেতরে যখন ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কেঁদে চলে। তখন এর বহিঃপ্রকাশ ঘটে স্বামীকে অশ্রদ্ধার মাধ্যমে। নারীরা কয়েকটি কারনে পরকীয়া করে-
তার মধ্যে একটি কারণ হলো-
কিছু স্ত্রী আছেন যারা পরকীয়া করেন এই কারণে যে, তার স্বামী তাকে শ্রদ্ধা করেন না তাকে সম্মান করেন না, তাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে না। তার স্বামী তাকে নিয়ে নিঃসঙ্গভাবে সুন্দর মুহূর্ত কাটান না এমনকি অবহেলা পর্যন্ত করে থাকেন, যার কারনে নারী (স্ত্রী) তার শারীরিক চাহিদা অন্য কোন পুরুষের মাধ্যমে যথাযথ পূর্ণ করেন। উপরোক্ত স্বামীর নেতিবাচক দিকগুলোর কারণে নারী (স্ত্রী) অনেক সময় এইসব কারণে পরকীয়ায় জড়ায়।
কিছু কিছু নারী আছে যাদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যটাই হচ্ছে নোংরা। তাদের নোংরামি, ব্যভিচার বা পরকীয়া করতে বিশেষ কোনো কারণ লাগে না, স্বামীর কোন অবহেলা-অসম্মান লাগে না।
তবে কিছু নারী আছে যারা স্বামীর অবহেলার শিকার হয় বা স্বামীর কাছ থেকে প্রাপ্য ভালোবাসা পায় না বা স্বামীর অন্য কোন নেতিবাচক কারণে ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও ভুল করে থাকে। তাই প্রত্যেক পুরুষের উচিত সংসারে অশান্তি বা স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে বাঁচাতে- স্ত্রীকে শ্রদ্ধা করা, সম্মান করা, সঠিকভাবে তাকে মূল্যায়ন করা এবং স্ত্রীকে নিঃসঙ্গভাবে সুন্দর মুহূর্ত উপহার দেওয়া। প্রত্যেক স্বামীর উচিত তার স্ত্রীর শারীরিক ও মানসিক দিক সূক্ষ্মভাবে বিচার বিবেচনা করে তাকে সাপোর্ট করা। কারণ পরকীয়া,অশ্লীলতার যুগে স্ত্রীকে ভালোবেসে পাশে থাকার চেয়ে বড় সততা আর কিছু নেই!
কোন সম্পগুলো দীর্ঘস্থায়ী? দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের রহস্য | সম্পর্কের চাবিকাঠি কি?
যে সংসার দীর্ঘস্থায়ী তার রহস্য হলো তারা স্বামী স্ত্রী দুজনেই সাংসারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে। তারা সংসারের সকল সমস্যা যেমন সম্মিলিতভাবে নিরসন করে ঠিক তেমনিভাবে দুজনের ব্যক্তিগত সমস্যাগুলোও তারা মিলেমিশে নিরসন করার চেষ্টা করে। যার কারণে তাদের সম্পর্ক থাকে দৃঢ়। তাদের মধ্যে বোঝাপড়ার ক্ষমতাটা অনেক জোরালো।
দাম্পত্য সম্পর্কে পারস্পরিক বোঝাপড়ার চাবিকাঠি হলো- স্ত্রীর সাথে গল্প করা। স্বামীকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে এটি ঐচ্ছিক নয়; বরং অবশ্যকরণীয় কাজ।
ভালোবাসা প্রকাশের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ বজায় রাখুন
আমারা অনেকেই মনে করি দৈহিক সম্পর্ক বিছানাতেই শুরু হয় বিছানাতেই শেষ হয় এই কথাটা আসলে সত্যি না। দৈহিক সম্পর্কের পুরো ব্যাপারটা বলতে পারেন বিছানার বাহিরে শুরু হয় এবং কতো ভালো আপনাদের দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে। এটা পুরোপুরি depend করে স্বামী স্ত্রী হিসাবে আপনারা বিছানার বাইরে কেমন আছেন! এখানে একটা কথা বলি যে স্বামী স্ত্রীর যদি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের যায়গাটা ভালো না থাকে তাহলে আপনাদের জন্য এই সম্পর্কটার উষ্ণতাটা feelings খুজে পাওয়া খুব difficult হবে।
আমিও তাই মনে করি। husband তার wife কে কতটুকু বুঝার চেষ্টা করছে, তার ডাকে কত টুকু react করছে? কত টুকু response করছে? তার উপরেই স্বামী স্ত্রী physical relation নির্ভর করে।
নারী কি চায়? স্বামীর থেকে স্ত্রী কি চায়?
নারী কি চায়? স্বামীর থেকে স্ত্রী কি চায়? আমি একজন পুরুষ হিসেবে পৃথিবীর সকল পুরুষকে নারীর একটি মনস্তাত্ত্বিক দিক সম্পর্কে জানাচ্ছি-
নারী মনস্তত্ত্বের প্রধান একটি রহস্যময় দিক। যে রহস্যময় দেখতে জানলে আপনি একজন আসল পুরুষ। নারীর এই মনস্তাত্ত্বিক রহস্যটি ধরতে পারলে আপনি নারীর মনের রাজ করতে পারবেন। নারী মনস্তত্ত্বের রহস্যময় দিকটি হলো--
নারী চায়! নারী চায় তার স্বামী তার প্রধান কর্তা হিসেবে থাকুক, স্বামী তার নেতৃত্ব দিক, কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত যেন সে আমার (স্ত্রীর) মতের বিরুদ্ধে না নেয়।
নারীর দোষ খোজা যাবেনা | বোকা পুরুষ বনাম জ্ঞানী পুরুষ
যে পুরুষ নারীর দোষ খোঁজে। নারীর জীবনের অধ্যায়ে সে পুরুষটি একটি তিক্ত মানুষ হিসেবে পরিচিতি পায়। বিশেষ করে নারীর (স্ত্রীর) কখনো দোষ খোঁজা যাবে না; উল্টো নারী দোষ না খুঁজে তার প্রশংসা করতে হবে। তাকে প্রশংসায় মাতাল করতে হবে। তাহলে নারীর ভালোবাসা আপনার কপালে জুটবে। আর যদি আপনি সব সময় নারীর দোষ খুঁজে বেড়ান তাহলে আপনার নসিবে তার ভালোবাসা জুটবে না। মাদার তেরেসার ঠিক এরকম একটি কথা বলে গেছেন- যে শুধু দোষ খুজে বেড়ায়, তার নসিবে ভালোবাসা জোটে না।
নারী কখন ভালোবাসা অনুভব করে? | নারীর অসহায়ের মুহূর্তে তার পাশে থাকা
প্রকৃতির নিয়ম নারীর মন নাকি অনেক নরম হয়
। নারীরা খুব সামান্য কারণেই কেঁদে ফেলে। তাদের কান্নার জন্য বিশেষ বড় কোন আঘাত বা বড় কোন কারণ লাগে না। যার কারণে অনেক পুরুষ নারীর কান্না দেখলে বলে ওঠে- কিছু হইতে না হইতেই চোখে পানি চলে আসে। এটা ছাড়া আর কি পারো? আবার অনেক পুরুষ রাগের মাথায় বলে ফেলে- এই কান্না বন্ধ করো না হলে গালে চড় খাবা। এরা চোখের পানি মোছা দূরে থাক চোখ দিয়ে ও তাকাবে না বরং বলবে অভিনয়, নাটক আরও কত কি!
তবে আমি সব পুরুষের কথা বলছি না আমাদের সমাজে এরকম অনেক পুরুষ আছে যারা- স্ত্রী কান্না করলে স্ত্রীর চোখের পানি হাত দিয়ে মুছে দেয়। অনেক পুরুষ আছে নারী (স্ত্রী) মন খারাপ করলে বা কান্না করলে তার স্বামী কাপড় চোপড় ধুয়ে দেয়, স্ত্রীকে খাবার খাইয়ে দেয় এমনকি স্ত্রী কান্না করলে সে নিজেও কেঁদে ফেলে।
প্রিয় ভিজিটর, স্ত্রী কান্না করলে স্ত্রীর চোখের পানি হাত দিয়ে মুছে দেয়া একটা সুন্নাহ্। এতে স্ত্রী তার মনে অনেক ভালোবাসা অনূভব করে। সে মানসিকভাবে অনেক শান্তি পায়। যে শান্তিটা লক্ষ-কোটি টাকার থেকেও অধিক, এ শান্তিটা টাকা দিয়ে কেনা যায় না। স্ত্রী যদি কোনো কারণে মন খারাপ করে বা রেগে থাকে বা কান্না করে তাহলে স্ত্রীর চোখের পানি হাত দিয়ে মুছে দিবেন এবং খেয়াল করে দেখবেন আপনার স্ত্রীর কান্নার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ আপনার স্ত্রী আপনার থেকে এমনটাই আশা করে। So keep remember this.
নারীর মনোজগত - ভালোবাসা প্রকাশে রোমান্টিক হোন
ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে রোমান্টিকতা বিদ্যমান থাকে। যত বেশি রোমান্টিক হওয়া যাবে তত ভালোবাসার প্রকাশ হবে। আর ভালোবাসা তত বেশি সুন্দর হবে। তাই প্রত্যেক স্বামী বা পুরুষের উচিত নারীর মন যোগাতে রোমান্টিক হওয়া। কারন সৃষ্টিগুনেই রোমান্টিক হয়ে থাকে নারীরা। নিবিড়চিত্তে তার ভালোবাসা শোনার মতো একটা শ্রবণেন্দ্রিয় এরা সবসময় খুজে বেড়ায়। সব নারীরাই রোমান্টিক হয়, আর সব মেয়েই একটা রোমান্টিক হাসবেন্ড চায়, তবে বেশির ভাগ নারীরা তা প্রকাশ করে না। আগে বলা হয়েছে নারীরা একটু চাপা স্বভাবের তার মুখ ফুটে কোন কিছুই বলতে চায় না। তাই পুরুষ মানুষের উচিত যৌবনে স্ত্রীর সাথে প্রেম করা, একটু রোমান্টিক হওয়া। যৌবনে বউয়ের সাথে প্রেম করার চেয়ে রোমান্টিক ইবাদত মনে হয় আর কিছু হতে পারে না। সুতরাং নারীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে যৌবনে বউয়ের সাথে প্রেম করুন। এতে করে একদিকে যেমন আপনারা দাম্পত্য জীবনের সুখী হবেন। অন্যদিকে এটি ধর্মীয় দিক থেকে ইবাদতও বটে।
ভালোবাসা প্রকাশে সঙ্গিনীর (নারীর আবেগের মূল্য দিন
মহান রবের দেয়া যৌবনের স্পেশাল নিয়ামত এই প্রেম প্রেম অনুভুতি। তাই যৌবনে ভালোবাসা প্রকাশে দাম্পত্য জীবনে প্রেমের অনুভূতি তৈরি করুন। পুরুষের চেয়ে নারীর আবেগ বেশি, তাই তার কাছে স্মৃতির মূল্যও বেশি।
ভালোবাসা প্রকাশের নারী (স্ত্রীর) খোঁজখবর নিন
নারী চায় তার স্বামী তার খোঁজখবর নিক কারণে অকারনে৷ নারীকে ভালবাসতে বানরের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে নারীর খোঁজখবর নিন দিনে অন্তত একবার এই শব্দটি তাকে বলুন--
ওগো প্রিয়তমা কেমন আছো? দিনটি কেমন কেটেছে? আপনার এতোটুকু কথায় স্ত্রীকে অনেক বেশি আনন্দ দেয়। দেখবেন আপনার স্ত্রী অনেক খুশি হয়েছে। আসলে স্ত্রীকে খুশি করাতে বেশি বড় কোন কারণ লাগে না। ছোট ছোট কিছু কথাবার্তা বা ছোট ছোট কোন কাজ করলেই স্ত্রীকে খুশি করা যায়। সুতরাং স্ত্রীকে ভালবাসতে বা স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে স্ত্রীর খোঁজখবর নিন।
ভালোবাসা প্রকাশে নারীর প্রতি মনোযোগী হোন
জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গীনির প্রতি গুরুত্ব, মনোযোগ, সম্মান, সহযোগিতা, পরস্পরকে বুঝতে পারা, এগুলো সবই ভালোবাসার অনুষঙ্গ যা দাম্পত্য - জীবনকে খুবই মধুর করে তুলে। আর এগুলোর প্রতি গুরুত্ব না দিলে বেখেয়ালি হলে দূরত্ব বাড়ে। ভালোবাসা প্রকাশে অবশ্যই নারীর প্রতি মনোযোগী হতে হবে কারণ নারী চায় আপনার মনোযোগ। আপনি আসলে তাকে কতটা মূল্য দেন বা তার মূল্য আপনার কাছে কতটুকুন?
ভালোবাসা নিয়ে একজন প্রেমিকের কথা
একজন প্রেমিক কতো সুন্দর বলেছেন- “তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার সাক্ষী চারজন এবং প্রতিটি কথার সাক্ষী রয়েছে আবার দুজন করে, হৃদয়ের স্পন্দন, অনূভুতির কম্পন, দেহের শীর্ণতা ও জিহ্বার উচ্চারণ।”
নারীর প্রতি ভালোবাসা আপনি কীভাবে প্রকাশ করেন??
Comments
Post a Comment