পুরুষের মন - পুরুষ মনের অলিগলির দর্শন
বয়স বেড়ে উঠার সাথে সাথে একটা প্রশ্ন মাথায় আসে, প্রচন্ডভাবে যে প্রশ্নটা ঘোরপাক খায়; নারী এত সুন্দর হয় কেন? পুরুষের চিন্তা-ভাবনা, উদ্দেশ্য, স্বপ্ন, বাসনা, আরাধনা সবকিছুর মধ্য একধরণের নারী-মুখী গতি কাজ করে। সে স্কুলে যায় পড়ালেখা শেখার জন্য, পড়ালেখা শিখে নিজের কথামত বা বাবামার কথামত স্বপ্ন তার ইন্জিনিয়ার হবে। কিন্তু যখন সে নিজেকে ইন্জিনিয়ার হিসেবে নিজেকে কল্পনা করে, অমনি সেই ভাবী ইন্জিনিয়ারের মাঝে একটা সুন্দরী নারীর ঝাপসা ছবি ভেসে ওঠে। আবার ছোট থেকেই কেউ ধর্মের প্রতি যদি অনুরাগী থাকে, সে নামায পড়ে এবং মোনাজাতে বলে “হে আল্লাহ আমার মনের আশাগুলো তুমি পূর্ণ করো।” তখন তার বুকের মধ্যে সেই আশাটা আকস্মিকভাবে একটি সুন্দর নারীর ছবিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। পুরুষ তার পুরো জীবনের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যে এবং ইচ্ছে পূরণ বলতে যা বুঝে - তার প্রধান ভূমিকায় থাকে নারীচিত্র!!
একটা বিষয় আপনি খেয়াল করলে দেখবেন যে- একটি ছোট শিশুকেও কথায় কথায় নারীর কথা কানে ঢুকানো হয়। যেমন ধরুনঃ কোন শিশু যদি পড়ালোখায় কম পায়; তাহলে তাকে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়া হয়- বড় হয়ে কি করবি, তোকে কেউ বউ দিবেনা। আবার কোন পুরুষ যদি অলস টাইপ বা খারাপ স্বভাবের হয়ে থাকে তাকেও এমন করে এমন প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। প্রতি পদে পদে এমন এমন প্রশ্নের সম্মোক্ষীন হতে হয়। এখন আপনার মনের প্রশ্ন আসতে পারে - কেন? পুরুষের জীবন কি শুধু নারী-মুখী? কেন পুরুষ নারী মুখী, নারীর প্রতি এত আকর্ষিত? একসকল প্রশ্নের উত্তর জানতে হবে হলে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে- পুরুষ আসলে কি? পুরুষের মন কি? - পুরুষ মনের অলিগলির দর্শন - পুরুষের মনের গোপন তথ্য। এসকল প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আজকের এই ব্লগপোস্ট।
সূচিপত্রঃ পুরুষ মনের অলিগলির দর্শন; পুরুষের গোপন তথ্য ফাঁস
- পুরুষ-- এর মনের রহস্য ফাঁস
- স্বপ্ন ও মেয়ে এবং পুরুষের স্বভাব
- পুরুষ জীবনটাই নারী-মুখী, নারী-কেন্দ্রিক!
- স্বপ্নদোষ ও মেয়ে 2
- পুরুষের চোখ ও নারী
- বাঙালী নারী ও বাঙালী পুরুষের মন
- কুরআন ও নারী
- নারী নিয়ে পুরুষের মনোভাব
- পুরুষের মনের অনুসন্ধান
- পুরুষ মনের গোপন জলে ডুবাডুবি হাবুডুবি
- বখাটের কাছে নারী
- বখাটে পুরুষের লক্ষণ ও উদ্দেশ্য
- উদ্দেশ্য কি?
- ধষর্ণ ও পুরুষ
- শেষকথাঃ পুরুষ মনের অলিগলির দর্শন
স্বপ্ন ও মেয়ে এবং পুরুষের স্বভাব
একটি ছেলের স্বপ্ন থাকে সে যখন প্রতিষ্ঠিত হবে তার পাশে থাকবে একটি সুন্দরী নারী। সে নিজেকে বড় ডাক্তার হিসাবে যখনই কল্পনা করে সেই ভাবী ডাক্তার এর সামনে একটি সুন্দরী নারী দেখতে পায়। আবার বড় অফিসার হিসাবে কল্পনা করলেও সেই ভাবী অফিসার এর পাশে একটি মেয়ের ছাপ মনে চলে আসে। তার কাছে বড় আশা পূরন বলতে একজন ভালো সঙ্গীনিকে পাওয়া বুঝায়। তাকে যদি বলা হয় পৃথিবীর সব পাবে তুমি। কিন্তু নারীকে পাবে না। সে সব ছেড়ে দিতে রাজি আছে কিন্তু নারী কে নয়! তাই একটি ছেলের জীবনে সব ঝামেলার মূলে থাকে একজন নারী। ছেলেরা তার সবকিছু ভালোভাবে উপস্থিত করতে চায়, একটি নারী দেখলেই যদি তার কাছে আমি প্রিয় হতে পারি। একটা ছেলে যখন সে যখন স্কুলে পড়াশুনা করতে যায় সেখানে তার অনেক মেয়েকে ভালো লাগে, পড়াশুনা করতে গিয়ে সেখানেও মেয়ে কে পটাতে চায়। আবার যখন স্কুল থেকে কলেজ যায় সেখানে অন্য কোন মেয়ে ভালো লাগে। সে ভার্সিটিতে গেলেও সেখানেও কোন না কোন মেয়ে ভালো লাগে, মানে পটাতে চায় বা কাছে কাছে পেতে চায়। রাজনৈতিক কোন ক্ষমতায় গেলেও। কর্মজীবনেও।ব্যবসায়ী হলে তার দোকানেও। রিক্সা চালক হলেও নারী রিক্সায় ওঠলে শক্তি বেড়ে যায় তার। শিক্ষক হলে পড়াশোনার ক্ষেত্রে ভালো একটি পারফরম্যান্স দেখাতে চায় নারী দেখলে। খারাপ ছাত্র হলে একটি মেয়ে দেখলে ভালো ছাত্র হতে চায়। আর প্রমাণও করতে চায় সে ভালো ছাত্র!
আসলে পুরুষদের স্বভাব এটা যে নারীকে দেখলেই নিজেকে ভালো পারফরম্যান্স দেখানো লাগবে তাকে। আমার গাড়ি আছে বাড়ি আছে টাকা আছে এটা আছে ওটা তুমি দেখো আমিই সেরা । তুমি আমাকেই কামনা করো। এরকম কথা বলে মেয়েদের যাদু টোনা করতে চায়। এবং পুরুষজাতির মনে একটা জিনিস সর্বদায় কাজ করে - নারীর চোখে নিজেকে খুব ভালো ভাবে উপস্থাপন করা, নিজেকে সেরা বানানোয় তার জন্য জীবনে কত বড় সৌভাগ্য কত সাফল্য!! আচ্ছা পুরুষ কেন নারীর চোখে নিজকে বড় বা সেরা সাজতে চায়? এর কারণ আমি বলব একটাই - পুরুষ জীবনটাই নারী-মুখী, পুরুষের সকল কিছু নারী-কেন্দ্রিক! পুরুষ সব কিছুর মাঝে একটি নারীকে খুজে। নারী হলো পুরুষের খাবার বললেও ভুল হবেনা। বেঁচে থাকতে যেমন খাবারের প্রয়োজন তেমনি, পুরুষের মনে যখন তখন ক্ষুধা-তৃষ্ণা লেগেই থাকে, সেসময় সে একটি নারী চরিত্র দরকার পড়ে। একটু আগে বলেছি পুরুষ নারীর নজরে নিজে বড় করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করে। পুরুষ যদি নারী-কেন্দ্রিক বা নারী-মুখী ই না হয়, তাহলে কেন তাকে একটা নারীর কাছে বড় হতে মন চায়?? মুখে মুখে অনেক কথা শোনা যায়; পুরুষ নাকি অনেক কঠিন অনেক কঠোর (নারীর চেয়ে), অনেকটা বাস্তববাদী; আসলেই কি তাই? যদি তাই হয় তাহলে সে মূহুর্তেই কেন নারীর কাছে পল্টি খায়, নারীর কাছে কেন সে এত দূর্বল?পুরুষের চিন্তায় নারী একশত বারের ও বেশি আঘাত করে একটি দিনে, যা নারী তা জানে না।
স্বপ্নদোষ ও মেয়ে
একটি ছেলের মাথায় যখন সবখানে মেয়ে আর মেয়ে। তখন তার অবচেতনভাবেই রাতের ঘুমে মেয়েরা এসে হানা দেয়। ফলে ঘটে অঘটনের ঘটনা। সকালে ওঠে গোসল। ভোরের প্রার্থনা শেষ।ছেলেটা হয়ে যায় অবাক! কুচিন্তায় থাকলে কেন হবে না এমন অঘটনা? তার কারণ এই যে মাথায় একশত বার মায়াবী ময়াপরী নারীর তীরের হানা।
পুরুষের চোখ ও নারী
পুরুষের চোখ তীর অথবা মিসাইল অথবা বলতে পারি গোদম পাখির তীর নিশানা চক্ষু। যা সবর্দাই নারীদের শরীরের উপরে পড়ে। এটা পুরুষের স্বভাব।পুরুষ যেখানেই যাক না কেন নারী থাকবে নারী দেখবে। নারী না থাকলে নাকি এদের আড্ডায় জমেনা।
রাস্তায় গেলে পুরুষের চোখের তীরে জন্য নারীরা হাটতে পারে না। রিক্সায় ওঠলে তীরের ওপর তীর আসে নারীর দেহের ওপর। কলেজে গেলে তীরের অভাব নেই। ভার্সিটিতে তীরের বস্তুা নিয়ে বসে থাকে। চোখ দিয়ে শরীল এক্স রে করা পুরুষের স্বভাব। একবারে নিখুঁত ভাবে মেপে নেয়! পুরুষের চোখ যেন একটি মিসাইল যা সবর্দা ছুটে চলে পরনারীর দিকে নিজের সুন্দরী স্ত্রী থাকা শর্তেও।এটা পুরুষের চোখের সমস্যা বা চোখের রোগ।এ রোগের চিকিৎসক ও জীবাণু নারী নিজেই। নারীরা সহজেই চোখের রোগীদের চিকিৎসার করাতে চায় না। পুরুষ না তাকলে নারীদেরও আবার খারাপ লাগে "এত সুন্দর করে সাজলাম কেউ দেখতেই ছেনা"! তার পছন্দের মানুষ, সমবয়সী বন্ধুরা তাকালে মজা পায় কিন্তু যখনই চাচার বয়সী মামার বয়সী বাবার বয়সী খালুর বয়সী কোন পুরুষ তার চোখ দিয়ে গোটা শরীরের আপত্তিকর জায়গাগুলো মাপতে থাকে তখন খুব বিরক্ত লাগে মেয়েদের। তখন একটু চিকিৎসা দিতে হিজাব পড়ে। ইদানিং পুরুষের চোখের সমস্যা বেড়েছে তাই হিজাব পড়াও বেড়েছে। হিজাব পড়ার ক্ষেত্রে আলহামদুলিল্লাহ্। পুরুষের চোখ এতটাই খারাপ যে আন্টির বয়সী নারীর দিকেও চোখ দেয়।
বাঙালি পুরুষ ও বাঙালি নারী
বাঙালি পুরুষের মন দিল চোখ কাম প্রেম ভালোবাসা তার শালি,ভাবি,খালাতো বোন,মামাতো বোন, ফুফাতো বোন,বড় ভাইয়ের শালির দিকে যায়। আর তাদের সবাইকে অটো গার্লফ্রেন্ড ভাবে। তা ভেবে ভেবে যা করা লাগে তাই করে।
কুরআন ও নারী
উক্ত আয়াতে ভোগ্য বস্তু বা কমনীয় জিনিস বলতে এমন সব জিনিসকে বুঝি যা প্রাকৃতিকভাবে মানুষ যার প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং যা পছন্দ করে। এই জন্যই তার প্রতি আকৃষ্ট হওয়া এবং তা ভালবাসা অপছন্দনীয় নয়। তবে শর্ত হল তা মধ্যম পন্থায় এবং শরীয়তের গন্ডির ভিতর হতে হবে। অনেকে ভাবতে পারেন নারী যদি সর্ব আকর্ষিত বস্তু হয় তাহলে নারী-মুখী হওয়াই স্বাভাবিক। আসলে বিষয়টা এমন না। আকর্ষণীয় এই সুশোভন আল্লাহর পক্ষ হতে মানুষের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ। কুরআনের আরেক জায়গায় বলা আছে-তিনি বলেন,
আলোচ্য আয়াতে কমনীয় জিনিসের মধ্যে সর্বপ্রথম নারীর কথা উল্লেখ হয়েছে। কারণ, সাবালক হওয়ার পর প্রত্যেক মানুষের সব থেকে বেশী প্রয়োজন বোধ হয় একজন সঙ্গিনীর। তাছাড়া রমণী পুরুষের কাছে সর্বাধিক বেশী রমণীয় ও কমনীয়। মানুষ কে মায়ায় ফেলেছে নারী। যা সর্ব আকর্ষিত বস্তুু থেকে পুরুষের কাছে বেশি আকর্ষণ করে নারী।
বাউল দর্শনে ----লালনের ভাবনা নারীকে নিয়ে। তার একটি উক্তি--
নারী নিয়ে পুরুষের মনোভাব
পুরুষের কাছে বিস্ময় নারীর মন ও দেহ নিয়ে। তার কাছে নারী হলো মানতার প্রতীক। নারীর শরীরের মতো তার মনটা কুসুম কোমল হবে। যা বলবো তাই করবে তা না করে উল্টাপাল্টা করে কেন। কিন্তু নারী ছলনা করলে সে দিশেহারা হয়ে যায়। ভাবে নারীর তুল্য খারাপ প্রাণী আর পৃথিবীতে একটিও নাই। তাই সে যে নারীকে কাছে পায় না তার নামে মিথ্যা অপ্রচার চালায়। ওই মেয়ে ভালো না, ওই মেয়ে আরো দশটা ছেলে খাইছে ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রয়োজনে নারীর নগ্ন ছবি বের করে প্রচার চালায় নারীটিকে মূল্যহীন করতে।
পুরুষের মনের অনুসন্ধান
পুরুষের মন কখনও একজন কে দিয়ে সন্তুষ্ট হয় না। তাই একজনকে কাছে পেলেও অন্যকে আরেকজন কে খোঁজে। সে যাকে কাছে পেয়েছে সে যদি বিশ্বসুন্দরীও হয় তবুও। কারণ নারী হলো পুরুষের আকর্ষণ। আকর্ষনীয় ব্যক্তি কাছে থাকলে তার আকর্ষণ কমে। তাই সে নারী খুজতে থাকে।একটার পর একটা নারী পরিবর্তন করতে চায়। এমনকি নিজের সুন্দর স্ত্রীকে বাদ দিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে।অন্যকোন ভাবে নারী না পেলে পতিতালয়ে গমন করে পুরুষজাতি!!
পুরুষ মনের গোপন জলে ডুবাডুবি হাবুডুবু
পুরুষেরা বুকে একজনকে নিয়ে অন্য জনের চিন্তায় মগ্ন থাকে।তারা মনের সাথে মন মিশিয়ে গভীর জলে ডুবাডুব হাবুডুব খায়।সে এটা নিজের ইচ্ছামত করতে পারে।এটা সমাজের ভয়ে করে।তারা মনে মনে মন কলা আপেল কমলা খায় আবার মনে মনে গভীর নোনতা সাগরেও গমন করে।
বখাটের কাছে নারী
বখাটে পুরুষ চায় খুব সহজেই একটি নিরিহ নারীকে খেয়ে ছেড়ে দিতে। তার কাছেও যেহেতু নারী আকষর্ণীয় ও মূল্যবান কিছু।তাই যে কিছু করেই হোক ওতো সময় অপেক্ষা না করে তাড়াতাড়ি কিভাবে খাওয়া যায় সেই চিন্তায় বিভোর থাকে। সে তখন জাল আবিস্কার করে সেই জালের নাম প্রেম।এই জালে আটকিয়ে সে শত শত মেয়েদের শিকার করে খায়। বখাটে হতে পারে রাজনৈতিক ব্যাপার এর সাথে জড়িত ব্যক্তি,মিডিয়া জগৎ এ কাজ করা ব্যক্তি।বাংলা কথায় যে পুরুষ গুলো বিশজন মানুষের সাথে কথা বলতে সক্ষম খারাপ বিষয়ে বা ভালো বিষয়ে আমার দৃষ্টিতে তাদের বখাটে হবার সম্ভনা বেশি থাকে।
বখাটে পুরুষের লক্ষণ ও উদ্দেশ্য
- হাতে রিং থাকা,
- হাতে ব্যাজপরে,
- দাঁড়ি ও চুলের অস্বাভাবিক স্টাইল থাকা,
- পোষাকের অস্বাভাবিকতা ছেড়া প্যান্ট পড়া সহ
- পোষাকে আবোল তাবোল লেখা থাকে
- রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা করে
- মাদকের সাথে জড়িত থাকা।
উদ্দেশ্য কি?
বখাটে পুরুষের এসব ঘটনা করার পিছনে থাকে নারীদের কাছে পাওয়ার শত শত কৌশল। কিভাবে নারীদের মন জয় করতে পারো আমি। তাই আমি নিজকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আকর্ষণীয় করবো। কিন্তু একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন যখন বখাটে বিয়ে করে সেদিন থেকে তাকে আর আগের মতো বখাটের লক্ষণ শরীরে দেখা যায় না। তা র পরিবর্তন হয়ে যায়। কেন পরিবর্তন আসে, আশা করি আপনিও বুঝেছেন!
ধষর্ণ ও পুরুষ
পুরুষের কাছে ধর্ষণ দুই প্রকার
মানসিক ধর্ষণ
পুরুষের মনে দিনে শতবারের অধিক নারীকে নিয়ে কুচিন্তায় মজে থাকে। আর কুচিন্তায় থাকার জন্য বার বার নারীকে ভোগ করার স্বপ্ন জেগে ওঠে।এই মনে সে যাকে ইচ্ছে তাকেই নিয়ে কুচিন্তা দিয়ে ধর্ষণ করে।এতে অনেকটা বাস্তব ধর্ষনের আনন্দ পায়। তাই সে নারী দেখে আর নারীকে নিয়ে ধর্ষণ করে এই মনের কারাগারে।এতে অপ্রকাশিত ইচ্ছা পূরণ হয় যা বাস্তবায়ন করা কঠিন ছিল।এই আনন্দের জন্য পুরুষ নারী আর নারী দেখে আর তীর মারে।পরে তার নিজ মন কারাগারে এনে ধর্ষণের পর একটি পিরিয়ডের সমাপ্তি করে। পরে আরো ইচ্ছা বেড়ে যায়।
শারীরিক ধর্ষণ
পুরুষের এই অদম্য ইচ্ছা কনট্রল করতে না পেরে শারীরিক ধর্ষণ এর পথ খুজে নেয়।
শেষকথাঃ পুরুষের মন | পুরুষের মনের রহস্য ফাঁস | পুরুষ মনের অলিগলির দর্শন
যাইহোক, যেহেতু মানুষের মন। মানুষের মন মাত্রই খারাপ তা মেয়েদের মনও। মন সম্পর্কে লিখতে গেলে আরো অনেক খারাপ কথা চলে আসবে।তাই আর লিখলাম না। তবে,যা লিখেছি তাতে ভূল ক্রটি ক্ষমা করবেন কারণ খারাপ ভাবে বলা হয়েছে।মানুষের মনের গোপন কথা গুলো এমন ই হয়। তাছাড়া পুরুষ জাতির কাছে চির অপরাধী হয়ে থাকলাম তাদের মনের গোপন ভাব প্রকাশের জন্য। তবে তাদের কাছে নয় যাদের মনোভাব পবিত্র আছে।
লিখেছেন - সাদিদুল ইসলাম সাদিক


Comments
Post a Comment